গল্পের বই পড়া ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে কেমন?

জিজ্ঞাসা-১৮:বই পড়া মানে গল্পের বই পড়া ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে কেমন? বই বলতে সব ধরনের হতে পারে—- থ্রিলার, প্রেমের উপন্যাস, হরর,ফিকশন, হিস্টোরিক্যাল, মিথলোজি….?–জীবন ছায়াহ্নে
জবাব : গল্পের বই পড়া জায়েজ হবে কিনা তা নির্ভর করছে এগুলোর বিষয়বস্তুর উপর । এগুলোতে যদি এমন কিছু থাকে যা বাস্তব ও ইসলামের নীতিমালার সাথে সাংঘর্ষিক তবে তা পড়া জায়েয হবেনা।বলতে পারেন আমরা কেবল বিনোদনের জন্য, সময় কাটানোর জন্য এগুলো পড়ি । কিন্তু এমন বিনোদনের অনুমতি নেই যেটা হারাম এবং একজন ঈমানদারের জন্য সময় অত্যন্ত মূল্যবান জিনিস । আবু হুরাইরা (রা.) বলেন , রাসূল্লাহ ( সা.) বলেছেন , একজন ব্যক্তির ইসলামের পরিপূর্ণতার একটি লক্ষণ হল যে, তার জন্য জরুরী নয় এমন কাজ সে ত্যাগ করে। –জামে তিরমিজী ২২৩৯)। আর আপনি সাইন্স ফিকশান, হিস্টোরিক্যাল, মিথলোজির কথা বললেন এগুলোতে অনেক সময় কুফরি বিষয় নিয়েও লেখা থাকে যা ইসলামের সাথে সাঘর্ষিক ।অনেক ক্ষেত্রে তা ঈমান-আকিদা নষ্টের ‘কারণ’ হয় এবং নাস্তিকতার প্রতি ধাবিত করে।পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন,’’মানুষের মধ্যে এমন ব্যক্তিও আছে যে অর্থহীন ও বেহুদা গল্প কাহিনী খরিদ করে, যাতে করে সে (মানুষদের নিতান্ত) অজ্ঞতার ভিত্তিতে আল্লাহ তাআলার পথ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে, সে একে হাসি, বিদ্রুপ, তামাশা হিসেবেই গ্রহণ করে; তাদের জন্য অপমানকর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে।”–সূরা লোকমান : ০৬

والله اعلم بالصواب
উত্তর দিয়েছেন
মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

16 + sixteen =