মাজার ও দরবারের গান বাজনা কতটুকু শরীয়তসম্মত?

জিজ্ঞাসা–১৪৯৮: দরবারে যেসব গান বাজনা হয় এগুলো কতটুকু শরীয়তসম্মত?–Md Bulbul

জবাব: নিঃসন্দেহে বাজনা বা মিউজিক হারাম। কেননা, বহু হাদিসে এ থেকে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। যেমন, সহিহ বুখারীতে আছে, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,

 لَيَكُونَنَّ مِنْ أُمَّتِي أَقْوَامٌ يَسْتَحِلُّونَ الْحِرَ وَالْحَرِيرَ وَالْخَمْرَ وَالْمَعَازِفَ
আমার উম্মতের মধ্যে এমন কিছু লোক সৃষ্টি হবে, যারা ব্যভিচার, রেশম, মদ ও বাদ্যযন্ত্রকে হালাল সাব্যস্ত করবে। (সহীহ বুখারী ৫৫৯০)
বিস্তারিত দেখুন জিজ্ঞাসা নং ৫৯৩।

আর বিভিন্ন দরবারে ও মাজারে নবী তত্ত্ব, মুর্শীদি, জারী, কাওয়ালী, পল্লীগীতি, ভাটিয়ালী, মাইজভান্ডারী ইত্যাদি নামে যেসব গান হয়, এগুলো সাধারণত ফাসিক কিংবা অমুসলিমদের বানানো বিধায় এজাতীয় গানের মধ্যে ঈমান ও ইসলামের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক বহু কথা বিদ্যমান। সুতরাং এজাতীয় গানে যদি বাজনা বা মিউজিক নাও থাকে তবুও এগুলো হারাম; এমনকি ক্ষেত্রবিশেষ কুফরিও। সুতরাং এগুলো পরিহার করাটাই হল, ঈমানের দাবী। কেননা, আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَلاَ تَتَّبِعُواْ أَهْوَاء قَوْمٍ قَدْ ضَلُّواْ مِن قَبْلُ وَأَضَلُّواْ كَثِيراً وَضَلُّواْ عَن سَوَاء السَّبِيلِ

আর ঐ সম্প্রদায়ের প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না, যারা পূর্বে পথভ্রষ্ট হয়েছে এবং অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে। তারা সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে। (সুরা মায়েদা ৭৭)

والله أعلم بالصواب

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

3 + 10 =