নাস্তিকদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সহজ উপায়

নাস্তিকরা—অর্থাৎ যারা সৃষ্টিকর্তাকে মানে না—যখন আল্লাহর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তখন তারা বিজ্ঞানকে ঢাল বানিয়ে কথা বলে। কিš‘ তাদের যুক্তির শুরুতেই একটি বড় দুর্বলতা আছে—এটা যদি ধরতে পারেন, পুরো আলোচনা সহজ হয়ে  যায়।
যদি কেউ আপনাকে বলে আল্লাহ নেই, তখন আপনি সিম্পলি জিজ্ঞেস করুন—এই মহা বিশ্ব কীভাবে তৈরি হলো?
দেখবেন, তাদের প্রায় সবাই উত্তর দেবে—মহাবিশ্বে শুরুতে পদার্থ (matter) ছিল, তারপর আকস্মিক এক মহা-বিস্ফোরণ হয়, যা  Big Bang নামে পরিচিত। সেখান থেকেই সব সৃষ্টি হয়েছে। তখনই মূল প্রশ্ন করুন—তুমি কেন অনুমান করে বলছ যে ‘পদার্থ’ ছিল? এই অনুমানের প্রমাণ কোথায়? এখানে তারা একদম চুপ হয়ে যাবে। কারণ বিগ ব্যাংয়ের আগে কী ছিল—এই প্রশ্নের কোনো সায়েন্টিফিক  জবাব নেই। সায়েন্স নিজেই বলে—We don’t know.


اَلْحَمْدُ لِلّهِ وَكَفَى وَسَلَامٌ عَلَى عِبَادِهِ الَّذِيْن َاصْطَفَى اَمَّا بَعْدُ! فَاَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ. بِسْمِ اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ. أَفِي اللَّهِ شَكٌّ فَاطِرِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ
بَارَكَ اللهُ لِيْ وَلَكُمْ فِي الْقُرْآنِ الْعَظِيْمِ، وَنَفَعَنِيْ وَإِيَّاكُمْ بِمَا فِيْهِ مِنَ اْلآيَاتِ وَالذِّكْرِ الْحَكِيْمِ. وجَعَلَنِيْ إِيَّاكُمْ مِنَ الصَّالِحِينَ.
أَقُوْلُ قَوْلِيْ هَذَا أَسْتَغْفِرُ اللهَ لِيْ وَلَكُمْ وَلِسَائِرِ الْمُسْلِمِيْنَ. فَاسْتَغْفِرُوْهُ، إِنَّهُ هُوَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ.اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَّعَلَى آلِ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَّبَارِكْ وَسَلِّمْ.
হামদ ও সালাতের পর!

সম্মানিত উপস্থিতি! আজকের আলোচনার শুরুতেই আমি আপনাদের হৃদয়ে একটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম কিন্তু শক্তিশালী সত্য পৌঁছে দিতে চাই। আর তা হলো—সন্দেহ থেকে নিজেকে বাঁচানো।
দেখুন, ঈমানের সবচেয়ে কোমল জায়গা হলো বিশ্বাস—আর সবচেয়ে বড় শত্রু হলো সন্দেহ।
অথচ আমাদের তরুণ প্রজন্মকে  বিজ্ঞান ও দর্শনের নামে এমন কিছু ধারণা শেখানো হচ্ছে, যা তাদের মনকে ধর্ম নিয়ে সংশয়ে ফেলে দেয়।