নারীর রূপচর্চা : বৈধতা ও অবৈধতার সীমারেখা

জিজ্ঞাসা–৫৭৩: আসসালামু আলাইকুম। নবীজীর স্ত্রীগণ ও তার কন্যাগণ যেভাবে সাজসজ্জা করতেন, সেই নিয়মসমূহ জানতে চাচ্ছি। আর এখনকার মহিলাদের সাজসজ্জা কি ইসলামের ই অন্তর্ভূক্ত? সাম্প্রতিক সাজসজ্জার উপকরণ ও এসব জিনিসের চর্চা কি বিজাতীয় বা অমুসলিম সম্প্রদায়ের অনুকরণ হিসেবে গণ্য হবে না? এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানালে উপকৃত হবো।–ফাহমিদা নোশিন তকী।

জবাব: وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

প্রিয় বোন, সাজসজ্জা সম্পর্কে মৌলিক কিছু কথা জানা থাকলে এবিষয়ে আপনার সকল কনফিউশন দূর হয়ে যাবে। পাশাপাশি অন্যদের জন্যও উপকারী হবে,  ইনশা-আল্লাহ।

এক. কার জন্য সাজবেন?

এক্ষেত্রে প্রথমে ভাবতে হবে, আপনি কার জন্য এবং কাকে দেখানোর জন্য সাজবেন। কোরআনে কারিমে নারীদের সৌন্দর্য্য প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা এসেছে। তবে মাহরাম ১৪ শ্রেণির পুরুষ ছাড়া। কাজেই নারী, নারীসদৃশ হিজড়া এবং মাহরাম পুরুষদের সামনে সাজসজ্জার প্রদর্শন বৈধ। তবে স্বামী ব্যতীত অন্য মাহরাম পুরুষের (ছেলে, পিতা, ভাই প্রমুখ) সামনে পেট ও পিঠের সৌন্দর্য্য প্রকাশ করা জায়েয নয়। (বাদায়ে’ ৫/১২০) আর হ্যাঁ, তাদের মধ্য থেকে যদি কারও সামনে সাজসজ্জা প্রদর্শনে ফেতনার প্রবল আশঙ্কা থাকে- তাহলে তার সামনে সৌন্দর্য্য প্রকাশ নাজায়েয। আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا لِبُعُولَتِهِنَّ أَوْ آبَائِهِنَّ أَوْ آبَاء بُعُولَتِهِنَّ أَوْ أَبْنَائِهِنَّ أَوْ أَبْنَاء بُعُولَتِهِنَّ أَوْ إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي أَخَوَاتِهِنَّ أَوْ نِسَائِهِنَّ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُنَّ أَوِ التَّابِعِينَ غَيْرِ أُوْلِي الْإِرْبَةِ مِنَ الرِّجَالِ أَوِ الطِّفْلِ الَّذِينَ لَمْ يَظْهَرُوا عَلَى عَوْرَاتِ النِّسَاء

তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। (সূরা নূর ৩১)

আর স্বামীর সামনে সাজসজ্জা ও সৌন্দর্য প্রদর্শন শুধু বৈধই নয় বরং করণীয়। হাদিস শরিফে এসেছে,

عَنْ أَبِي أُمَامَةَ-رضي الله عنه- عَنِ النَّبِيِّ –-، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: مَا اسْتَفَادَ الْمُؤْمِنُ بَعْدَ تَقْوَى اللَّهِ خَيْرًا لَهُ مِنْ زَوْجَةٍ صَالِحَةٍ، إِنْ أَمَرَهَا أَطَاعَتْهُ، وَإِنْ نَظَرَ إِلَيْهَا سَرَّتْهُ، وَإِنْ أَقْسَمَ عَلَيْهَا أَبَرَّتْهُ، وَإِنْ غَابَ عَنْهَا نَصَحَتْهُ فِي نَفْسِهَا وَمَالِهِ

আবু উমামা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ বলতেন,  কোনো মুমিন ব্যক্তি আল্লাহ্ভীতির পর উত্তম যা লাভ করে তা হলো পুণ্যময়ী স্ত্রী। স্বামী তাকে কোন নির্দেশ দিলে সে তা পালন করে; সে তার দিকে তাকালে (তার বাহ্যিক সাজসজ্জা ও চরিত্রের মাধুর্যতা) তাকে আনন্দিত করে এবং সে তাকে শপথ করে কিছু বললে সে তা পূর্ণ করে। আর স্বামীর অনুপস্থিতিতে সে তার সম্ভ্রম ও সম্পদের হেফাযত করে। (সুনান ইবন মাজাহ ১৮৫৭)

দুই. সাজসজ্জার ক্ষেত্রে ইসলামের মূলনীতি

নারীর জন্য কী ধরণের সাজসজ্জা বৈধ হবে-  ইসলাম এক্ষেত্রে কিছু মুলনীতি আরোপ করেছে। মূলনীতিগুলো হচ্ছে এই–

১- কোনো সাজসজ্জা হারাম হওয়ার ব্যাপারে যতক্ষণ পর্যন্ত দলিল পাওয়া যাবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত তা বৈধ। আর হারাম হওয়ার দলিল পাওয়া গেলে তা অবৈধ। কেননা, বস্তুর মূল হচ্ছে, বৈধতা। আল্লাহ তাআলা বলেন,

قُلْ مَنْ حَرَّمَ زِينَةَ اللّهِ الَّتِيَ أَخْرَجَ لِعِبَادِهِ وَالْطَّيِّبَاتِ مِنَ الرِّزْقِ
আপনি বলুন, আল্লাহর সাজসজ্জাকে, যা তিনি বান্দাদের জন্যে সৃষ্টি করেছেন এবং পবিত্র খাদ্রবস্তুসমূহকে কে হারাম করেছে? (সূরা আ’রাফ ৩২)
২- সাজসজ্জা করতে গিয়ে নারী পুরুষের বেশ ধারণ করতে পারবে না। যেমন- চুল এত ছোট করে ছাঁটা যার কারণে দূর থেকে দেখে পুরুষ মনে হয়। কেননা, ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ المُتَشَبِّهِينَ مِنَ الرِّجَالِ بِالنِّسَاءِ، وَالمُتَشَبِّهَاتِ مِنَ النِّسَاءِ بِالرِّجَالِ
 রাসূলুল্লাহ নারীর বেশ ধারণকারী পুরুষদেরকে এবং পুরুষের বেশ ধারণকারী মহিলাদেরকে অভিশাপ করেছেন। (বুখারী ৫৮৮৫)
৩- সাজসজ্জার ক্ষেত্রে অমুসলিম কিংবা প্রকাশ্য পাপাচারে লিপ্ত নারীদের অনুকরণ করা যাবে না। এ মর্মে রাসূলুল্লাহ বলেছেন,

مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ

যে ব্যক্তি বিজাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করে, সে তাদের দলভুক্ত গণ্য হবে। (আবু দাউদ ৪০৩১)

৪- সাজসজ্জার ক্ষেত্রে ক্ষতিকর বস্তু বা প্রসাধনী ব্যবহার করা যাবে না। কেননা, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, لا ضرر ولا ضرار ক্ষতি ও ক্ষতি সাধনের কোন অনুমতি নেই। (সুনানে দারাকুতনী ৩০৭৯)

তিন. প্রসঙ্গ- চেহারার সাজসজ্জা

১- ভ্রু প্লাক করা। এটা হারাম। হাদিস শরিফে এসেছে,

قَالَ عَبْدُ اللَّهِ: لَعَنَ اللَّهُ الوَاشِمَاتِ وَالمُسْتَوْشِمَاتِ، وَالمُتَنَمِّصَاتِ، وَالمُتَفَلِّجَاتِ لِلْحُسْنِ، المُغَيِّرَاتِ خَلْقَ اللَّهِ تَعَالَى

আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ তা‘আলা অভিশম্পাত করেছেন সেসব নারীদের উপর যারা দেহাঙ্গে উল্কি উৎকীর্ণ করে এবং যারা করায়, তেমনি যারা ভ্রু চেঁছে সরু (প্লাক) করে, যারা সৌন্দর্য মানসে দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করে, যারা মহান আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তন আনে। (বুখারী ৪৮৮৬, ৪৮৮৭, ৫৯৩১, ৫৯৪৩, ৫৯৪৮)

২- চেহারায় উল্কি অংকন করা। উক্ত হাদিস থেকে প্রমাণিত হয় যে, শুধু চেহারা নয়; বরং দেহের যেকোনো অঙ্গে উল্কি অংকন করা হারাম।

৩- ফেক আইল্যাস বা কৃত্রিম পাপড়ি লাগানো। এটাও নাজায়েয।  ড. খালিদ আল মুসলিহ বলেন,

أخاف أن تكون من الوصل المحرم الذي لعن الله فاعله، كما جاء الخبر عن رسول الله: (لعن الله الواصلة والمستوصلة) عن جماعة من الصحابة رضي الله عنهم، … ومما لا يخفي أن في هذا العمل كذبا، وقد يكون معه تدليس أو غش، فالذي أنصح به الأخوات أن يجتنبن مثل هذه الوسائل التجميلية، والاكتفاء بالمباح،

আমি আশঙ্কা করছি, এটি নিষিদ্ধ পরচুলার অন্তর্ভুক্ত, যার কর্তাকে আল্লাহ তাআলা লানত করেছেন। যেমনটি হাদিসে রাসূলুল্লাহ ﷺ ও সাহাবায়ে কেরামের অনেকেই বলেছেন যে, ‘আল্লাহ তাআলা পরচুলা ব্যবহারকারিনী ও যে ব্যবহার করায় উভয়কে লানত করেছেন।’ আর এটা তো স্পষ্ট যে, কাজটি মিথ্যার অন্তর্ভুক্ত। এটা প্রতারণাও। এজন্য মুসলিম বোনদেরকে আমি উপদেশ দিচ্ছি, তারা যেন এধরণের মেকআপ থেকে বেঁচে থাকে এবং বৈধ মেকআপ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকে। (http://www.almosleh.com)
৪- চোখে রঙিন পর্দা বা কন্ট্যাক্ট লেন্স। চশমার বিকল্প হিসেবে আজকাল অনেকেই  ব্যবহার করছেন। এটা আজকাল হয়ে উঠেছে ফ্যাশনের নতুন অনুষঙ্গ। এ সম্পর্কে শায়েখ সালিহ আল ফাওযান বলেন,
العدسات إذا كان فيها مصلحة لتقوية البصر، بصرها ضعيف تحتاج للعدسات تلبسها مثل ما تلبس النظارات إذا كان البصر ضعيفًا، وكذلك إذا كان في عينيها عيب، في عينيها عيب تلبس العدسات من أجل إزالة هذا العيب فلا بأس بذلك، أما إذا كانت العينان سليمتين ولا فيهما عيب فلا نرى لبس العدسات؛ لأن هذا من العبث، وبعض النساء تلبس عدسات تشبه أعين الكافرات تكون زرق، أو تكون .. ، وبعضهن تلبس عدسات على شكل الثياب التي تلبسها؛ هذا من العبث .. أنه لا يجوز
যদি কন্ট্যাক্ট লেন্স চশমার মত দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে হয়, অনুরূপভাবে চোখের কোনো দোষ দূর করার উদ্দেশ্য হয় তাহলে অসুবিধা নেই। আর যদি চোখ সুস্থ থাকে যে, তার চোখে কোনো ত্রুটি নেই, তাহলে এটির ব্যবহার আমরা জায়েয মনে করি না। কেননা, এটি তখন ফ্যাশন হবে। অনেক মহিলা কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে, যাতে অমুসলিম নারীদের মত তাদের চোখ নীলাভ বা বিভিন্ন রঙ্গের দেখায়। অনেকে নিজের পোশাকের সঙ্গে কালার মিলিয়ে এটি ব্যবহার করে। এটা নিছক ফ্যাশন, যা জায়েয নেই। (www.alfawzan.af.org.sa)
৫- দাঁত স্কেলিং করা বা আঁকাবাঁকা দাঁত সোজা করার উদ্দেশ্যে ব্রেস পরানো। এটি যদি কেবল ফ্যাশনের উদ্দেশ্যে হয়, অথবা এটা করতে গেলে যদি শরীরের কোনো ক্ষতি হয় তাহলে জায়েয হবে না। পক্ষান্তরে যদি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে হয় তাহলে অসুবিধা নেই। হাফেজ ইবন হাজার আসকালানি রহ. বলেন,

(والمتفلجات للحسن) يفهم منه أن المذمومة من فعلت ذلك لأجل الحسن، فلو احتاجت إلى ذلك لمداواة مثلا جاز

হাদিসে যারা সৌন্দর্য মানসে দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করে তাদের জন্য নিন্দা (লানত) এসেছে-এর দ্বারা বুঝা যায়, যদি তা চিকিৎসা বা এজাতীয় প্রয়োজনে হয় তাহলে জায়েয আছে। (ফাতহুল বারী ১০/৩৭২)
৬- মেকআপ করা। যেমন, বর্তমানে স্নো, ক্রিম, পাউডারসহ বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী সামগ্রী পাওয়া যায়। এগুলোর ব্যবহার বৈধ। কেননা, ইসলাম নারীর জন্য মেহেদি, কলপ ইত্যাদির ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে থাকে। আর আধুনিককালের এসব প্রসাধনীও এ শ্রেণীরই অন্তর্ভুক্ত। যেমন, বিন বায রহ. বলেন,

المكياج من باب الزينة، إذا كان لا يضر الوجه ولا يسبب ضرراً فلا حرج في ذلك، أما إذا كان يسبب ضرر فلا يُفعل

মেকআপ সাজসজ্জার অন্তর্ভুক্ত। যদি চেহারা বা ত্বকের ক্ষতি না করে তাহলে অসুবিধা নেই। কিন্তু যদি এর কারণে ক্ষতি হয় তাহলে করা যাবে না। (www.binbaz.org.sa)

তবে এসব বস্তু ব্যবহারের সময় নিম্নোক্ত বিষ্যগুলোর প্রতি খেয়াল রাখতে হবে-

১- অমুসলিম কিংবা প্রকাশ্য পাপাচারে লিপ্ত নারীদের অনুকরণ করার উদ্দেশ্যে হলে এসবের ব্যবহার জায়েয হবে না।
২- মেকআপে ক্ষতিকর বস্তু বা প্রসাধনী ব্যবহার করা যাবে না। কেননা, আমাদের দেহের মালিক আমরা নই।
৩- অতিরিক্ত রূপচর্চা করা যাবে না। কেননা, অতিরিক্ত রূপচর্চা হয়ত ত্বকের ক্ষতি করে কিংবা অপচয়ের সীমায় পড়ে।
যে সমস্ত প্রসাধনী হালাল বস্তু দ্বারা তৈরি, সেগুলোর ব্যবহার জায়েয। যেমন- সাধারণ মেকআপ, লিপস্টিক ইত্যাদি। তবে এগুলোর উপাদানে যদি হারাম কিছু থাকে, এমনটি নিশ্চিতভাবে জানা থাকলে সেগুলো ব্যবহার করা জায়েয হবে না।
৫- যে সমস্ত সাজসামগ্রীতে অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয়, সেগুলো যদি আঙুর বা কিসমিসের তৈরি না হয় এবং নেশার পরিমাণে না পৌঁছায়, তাহলে ইমাম আবু হানিফা রহ.-এর মতানুযায়ী তা ব্যবহার জায়েয। আর যদি আঙুর বা কিসমিসের তৈরি হয়- তাহলে সামান্য পরিমাণ ব্যবহারও জায়েয নয়।
চার. সাজসজ্জার আরো কিছু সামগ্রী
১- নেইলপালিশ। যদি পবিত্র বস্তু দ্বারা প্রস্তুত হয়, তাহলে ব্যবহার করা জায়েয। তবে নেইলপালিশ যেহেতু পানি প্রবেশের প্রতিবন্ধক, তাই তা নখে থাকাবস্থায় অজু ও ফরজ গোসল হবে না। নখ থেকে তুলে অজু ও ফরজ গোসল করতে হবে। তবে পিরিয়ড অবস্থায় নেইলপালিশ ব্যবহার করলে করতে পারেন। বারংবার অজুর সুবিধার্থে পিরিয়ডমুক্ত পবিত্রাবস্থায় নেইলপালিশ ব্যবহার না করাই অধিকতর নিরাপদ।
২- পারফিউম বা বডি স্প্রে। এর ব্যবহার জায়েয। তবে শর্ত হল, আঙুর বা কিসমিসের তৈরি না হওয়া। বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন, জিজ্ঞাসা নং–৩১৯
৩- পরচুলার ব্যবহার। এটি সর্বসম্মতিক্রমে হারাম। (বুখারী ৪৮৮৬)
৪- চুল কালার করা বা কাটা। এটি শর্তসাপেক্ষে জায়েয। বিস্তারিত জানার জানার জন্য পড়ুন, জিজ্ঞাসা নং–২৪৯ এবং  জিজ্ঞাসা নং–৩৯৩
والله اعلم بالصواب
উত্তর দিয়েছেন
মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী
আরো পড়ুন-
শীতের সময় লোশন ব্যবহার করা যাবে কি?
মেয়েদের চুল কাটার বিধান কি?
গোপনাঙ্গের লোম চেঁছে/উপড়িয়ে ফেলতে হবে নাকি ছেটে ছোট রাখলেই হবে?
মহিলাদের চুলের বিভিন্ন কাটিং এর বিধান
সুগন্ধিতে কী পরিমাণ এ্যলকোহল থাকলে ব্যবহার করা যাবে?
হিজাবের বৈশিষ্ট্যাবলি
পুরুষের জন্য চুলে মেহেদি ও কালো কলপ ব্যবহার জায়েয হবে কি?
মহিলাদের চুল সোনালী রং করা বৈধ কিনা?
চুলে রং করলে অজু-গোসলে সমস্যা হয় কি?
বাচ্চাদের কপালে শখ করে টিপ দিলে গুনাহ হবে কি?
চেহারার কি পর্দা নেই?
পুরুষ হাতে মেহেদী ব্যবহার করতে পারবে কি?
বুকের লোম কাটা যাবে কিনা?
চুল রাখার সুন্নত তরিকা কী?
পুরুষের জন্য স্বর্ণ বা রুপার আংটি ব্যবহার জায়েজ আছে কি?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

17 − three =