ইমাম উচ্চস্বরে কেরাতবিশিষ্ট নামাযে আস্তে কেরাত পড়লে কী করবে?

জিজ্ঞাসা-৫৩:ফজরের ফরজ নামাজের জামাতে বাপের ইমামতিতে বেটা নামাজ পড়েছে। বাপ সূরা ফাতিহা এবং অন্য সূরা মনে মনে পড়েছে। ছেলেও কিছু বলে নাই। নামাজ শেষ। এটা শুদ্ধ হবে কি?— Shoaib. [email protected]

জবাব: মাগরিব, এশা, ফযর এই ৩ ওয়াক্তের কেরাত হচ্ছে  ‘ জাহরী’  অর্থাৎ প্রকাশ্য বা জোরে। যিনি ইমাম হবেন তিনি এই ৩ ওয়াক্তের শুধু ফরয নামাযের প্রথম ২ রাকাতে সুরা ফাতেহা ও কেরাত জোরে পড়বেন। (সহীহ বুখারী, হাদীস ৭৭৯ ইলাউস সুনান) ‘ জাহরী’  অর্থাৎ প্রকাশ্য বা জোরে পড়ার অর্থ হল, অন্তত এতটুকু আওয়াজে পড়া যাতে নিজের পিছনে দাঁড়ানো কিছু লোক তা শুনতে পায়।  সুতরাং উক্ত ব্যাখ্যার আলোকে ইমাম সাহেব যদি জাহরী (উচ্চস্বরে কেরাত বিশিষ্ট) নামাযে আস্তে সুরা ফাতেহা ও কেরাত পড়েন তাহলে সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে। সাহু সিজদা না দিলে নামায শুদ্ধ হবেনা বরং তখন নামায পুনরায় আদায় করতে হবে।

উল্লেখ্য, এ হুকুম কেবল জামাতের সাথে নামায আদায়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

আর একাকী নামাযী ব্যক্তি জাহরী নামাযে চাইলে আস্তেও কেরাত পড়তে পারে। তবে তার জন্য উত্তম হল জোরে পড়া। (রদ্দুল মুহতার ১/৫৩৫; শরহুল মুনয়াহ ৪৫৫-৪৫৬; আসসিআয়াহ ২/২৬৯; হাশিয়াতুত তাহতাবী আলা মারাকিল ফালাহ ১২৩)

والله اعلم بالصواب
উত্তর দিয়েছেন
শায়েখ উমায়ের কোব্বাদী
আরো পড়ুন

১ টি মন্তব্য

মন্তব্য বন্ধ