জিজ্ঞাসা–১৯১৯ : জামাতে নামাজ পড়ার সময় শেষ বৈঠকে তাশাহহুদের পর যদি অযু ছুটে যায় তখন করণীয় কী?—মোহাম্মদ আবুল হুসাইন। জবাব : নামাজের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ পরিমাণ বসা ফরজ। এই ফরজ আদায় হয়ে যাওয়ার পর যদি সালাম ফেরানোর আগেই অনিচ্ছাকৃতভাবে অযু ভেঙেবিস্তারিত পড়ুন →
জিজ্ঞাসা–১৯১২ : যেই মসজিদে ঈমাম মুয়াজ্জিন নির্দিষ্ট সেই মসজিদে কয়েকজন মুসাফির নির্ধারিত নামাযের জামাতের পর নিজেরা জামাত করতে পারবে? আমি একজনের কাছে শুনেছিলাম এই রকম মসজিদে ২য় জামাত করা মাকরুহ।— MOHAMMAD TAFSIR AHMED জবাব : যেসব মসজিদে নিয়মিত মহল্লাবাসী আযান ও ইকামতেরবিস্তারিত পড়ুন →
জিজ্ঞাসা–১৯১০ : হুজুর, আমি গত ২০২১ সাল থেকে আমার উমরি কাজা সালাতগুলো আদায় করার চেষ্টা করছি। প্রতি ওয়াক্তের আগে অথবা পরে সেই ওয়াক্তের কাজা সালাত আদায় করার চেষ্টা করছি । যেহেতু আসর ও ফরজ সালাতের পর কোনো সালাত আদায় করারবিস্তারিত পড়ুন →
জিজ্ঞাসা–১৯০৯ : আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। হযরত আমার এলাকায় দেখছি ১০/১২ বছরের হাফেজ ছেলেদের দ্বারা তারাবি এবং ওয়াক্তিয়া নামাজ পড়ায়। এদের পিছনে নামাজ আদায় করলে নামাজ সহীহ হবে কিনা? বিঃদ্র: আমি জানতাম বালেক হওয়ার আলামত প্রকাশ না পেলে ১৫ বছর হলেবিস্তারিত পড়ুন →
জিজ্ঞাসা–১৯০৮ : হুজুর, আমার মা আসুস্থ। মায়ের প্রয়োজনে আমাদের দুই ভাইয়ের যেকোনো একজনকে সবসময় বাসায় থাকতে হয়। যার কারণে ফরজ নামাজ জামাতে আদায় করতে পারি না। তবে বাসায় পড়ে নিই। তবে এই জন্য খুবিই আফসোস হয়। আমার প্রশ্ন হল, মায়ের প্রয়োজনেরবিস্তারিত পড়ুন →
জিজ্ঞাসা–১৮৯৭ : বাড়িতে দুইজন লোকে জামায়াত করে নামাজ পড়লে ইকামত দিতে হবে কি?—সাহেদুল ইসলাম। জবাব : বাড়িতে দুইজন মিলে জামায়াত করার ক্ষেত্রে ইকামত দেওয়া যে সুন্নাত। কেননা, রাসুলুল্লাহ ﷺ মালিক ইবনুল হুয়াইরিস রাযি. ও তাঁর সাথীকে লক্ষ্য করে বলেছিলেন إِذَا أَنْتُمَاবিস্তারিত পড়ুন →
জিজ্ঞাসা–১৮৯৫ : আসসালামু আলাইকুম। যদি কোনো মহিলার ক্ষেত্রে এমন হয় যে সে ঘর থেকে অনেক দূরে এবং ঘরে যেতে যেতে নামাজের ওয়াক্ত চলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে তাহলে কি সে কোনো মসজিদে বা ইবাদতখানায় নামাজ পড়তে পারবে? যদি উক্ত মসজিদ বাবিস্তারিত পড়ুন →
জিজ্ঞাসা–১৮৮২ : তারাবির নামাজ সুন্নাত না নফল? —Abul Hasanat জবাব : ইমাম নববী বলেন, صلاة التراويح سنة بإجماع العلماء আলেমগণের ইজমা অনুযায়ী তারাবী নামাজ পড়া সুন্নত। (আলমাজমূ ৪/৩১) والله أعلم بالصواب উত্তর দিয়েছেন শায়খ উমায়ের কোব্বাদী
জিজ্ঞাসা–১৮৮০ : দুই পায়ের মাঝখানে চার আঙ্গুলের কম ফাঁক রাখলে নামাজের কোনো ক্ষতি হবে কি?—আনোয়ারুল কাদির জবাব : নামাজে দুই পায়ের মাঝখানে চার আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁক রাখা মুস্তাহাব; ওয়াজিব নয়। তাই চার আঙ্গুলের কম ফাঁক থাকলে, কিংবা ভুলবশত পা লেগে গেলে নামাজেরবিস্তারিত পড়ুন →
اَلْحَمْدُ لِلّهِ وَكَفَى وَسَلَامٌ عَلَى عِبَادِهِ الَّذِيْن َاصْطَفَى اَمَّا بَعْدُ! فَاَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ. بِسْمِ اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ. وَقُرْآنَ الْفَجْرِ ۖ إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُودًا بَارَكَ اللهُ لِيْ وَلَكُمْ فِي الْقُرْآنِ الْعَظِيْمِ، وَنَفَعَنِيْ وَإِيَّاكُمْ بِمَا فِيْهِ مِنَ اْلآيَاتِবিস্তারিত পড়ুন →